Sunday, July 4, 2021

আমাদের সমস্যা ক্যাম্পাস আর কর্পোরেট লাইফের মাঝখানে (পর্ব-১)
আমাদের দেশের চাকরীর বাজার সম্পর্কে প্রায় সবারই জানা। লাখ লাখ গ্রাজুয়েট বের হচ্ছে প্রতি বছর কিন্তু লাখ লাখ চাকরীর ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছেনা। এ নিয়ে অন্য একদিন লিখবো। আজকে লিখছি কেনো এতো গ্রাজুয়েট থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশে ভারত, শ্রীলংকা থেকে এসে লোকজন চাকরী করছে। বাংলাদেশে প্রায় ৫ লাখের বেশি ভারতীয় কাজ করছে। কেনো আমরা সে জায়গায় আমাদের নিজস্ব জনশক্তি লাগাতে পারছিনা? 
দেখুন! আমাদের জনশক্তি আছে ঠিকই কিন্তু দক্ষ জনশক্তি নেই। আমাদের গ্রাজুয়েট রা প্র্যাক্টিকাল থেকে বই পুস্তকের মধ্যেই বেশি সীমাবদ্ধ। একটি গল্প বলি। আপনাদের অনেকেরই হয়তো গল্পটি জানা। দুই বন্ধু সাইকেল চালানো শিখবে এক সপ্তাহের মধ্যে। মেধাবী বন্ধু সাইকেল সংক্রান্ত অনেক বই পুস্তক নিয়ে পড়া শুরু করলো। অপর বন্ধু একটা সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লো। প্রথম দিন সে শত বার পড়লো পরের দিন ও জখম হলো। কিন্তু সে হাল ছাড়লোনা। এভাবে করতেই লাগলো। অপর বন্ধু বই পুস্তক পড়ছে আর জানালার পাশে বসে অপর বন্ধুর কান্ড দেখে মজা পাচ্ছে। শেষ দিন মেধাবী বন্ধু বই পুস্তক পড়া শেষে  একটি সাইকেল নিয়ে চালাতে চেষ্টা করলো। কিন্তু ধপাস!!! সে বুঝতে পারছিলোনা সে কি করবো। এতদিন ধরে সে এই সংক্রান্ত অনেক বই পুস্তক গিলেছে। ভাবতে ভাবতে অপর বন্ধু সাইকেল চালিয়ে তার সামনে দিয়ে চলে গেলো। 
দেখুন! এই গল্প থেকে আমাদের শিখতে হবে। ক্যাম্পাসে আপনি আপনার জীবন কে যেভাবে পেয়েছেন ক্যাম্পাস লাইফ শেষে আপনি সেভাবে পাবেন না। তাই ক্যাম্পাস লাইফ শেষ করার আগেই আপনাকে আপনার কর্পোরেট ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মেধাবী তৈরী হচ্ছে তার পাশাপাশি তৈরী হচ্ছে জ্ঞানের দাম্ভিকতা। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। যেমন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোনো শিক্ষার্থী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়না। এমনি একটা ইনভার্মেন্ট তৈরী হয়ে গেছে। অথচ আমাদের বুঝতে হবে যে গ্রাজুয়েশন শেষে এরাও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটদের সমান। কর্পোরেটেও আগে এরকম একটি ইনভার্মেন্ট ছিলো। দেশের প্রথম সারীর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটদের চাকরীর বাজারে দৌরাত্ম্য ছিলো। তবে সময় পালটেছে। এখন কর্পোরেট এ আপনি তখনি জায়গা করতে পারবেন যখন আপনি দক্ষ এবং যোগ্য হিসেবে নিজেকে প্রমান করতে পারবেন। তবে সরকারি চাকরীর দিক থেকে প্রথম সারীর বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট রা এগিয়ে আছে। এর কারণ ও আছে। আমরা যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কে বিশ্ববিদ্যালয় মনে করতাম তাহলে হয়তো চিত্রটা আরো ভিন্ন হতে পারতো। যাইহোক, প্রথম সারীর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট রা সবাই ও সরকারি চাকরি পায়না। কারণ এতো চাকরীর ক্ষেত্র নেই। তখন তারা হানা দেয় বাইরে। সেখানে অনেকে পায় তবে সে চাকরি সুখকর হয়না। কেননা সরকারি চাকরি আর প্রাইভেট সেক্টরের চাকরীর মাঝে অনেক প্রার্থক্য। যে নবাব দুলাল রা সরকারি চাকরীর আশায় লাইব্রেরীতে মাসকে মাস পরে ছিলো তাদের জীবন আর ক্যাম্পাস লাইফের মতো নবাবি হালে থাকেনা। কেউ একজন টিটকারি মেরে হয়তো বলবে "ওয়েল কাম টু কর্পোরেট"। ক্যাম্পাস লাইফেই যদি তারা কর্পোরেটের জন্য প্রি পেয়ার হতো তাহলে হয়তো বিদেশ থেকে আমাদের কর্মী আমদানি করতে করতে হতোনা। 

Meet SHITAB AZIZ, a veritable wizard of technology who is a Dreamer , a Digital Marketing expert, a Web Designer, an entrepreneur and an avid speaker on Digital Marketing. Just at the age of 19, Shitab has been able to accomplish a whole lot. With no family background in computers or business, Shitab’s journey from a middle class child to a successful young adult is very extraordinary and inspirational.

0 comments:

Contact

Send Us A Email

Address

ContactInfo

If you want to order and purchase a plan or have any question Please! don't shy to contact me!I will reply your email as soon as possible. you can also send me messages or call me!

Address:

Malibagh Chowdhury Para, Dhaka, Bangladesh

Phone:

+880 1678 842414,

Email:

support@shitabaziz.com